দুর্ঘটনায় মৃত ও আহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণের দাবিতে বিক্ষোভ কুমারডিহিতে

0
260

নিজস্ব প্রতিনিধি,পাণ্ডবেশ্বর: বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় সড়কের মঙ্গলপুর এর কাছে ইসিএল সংস্থার একটি ডাম্পার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। মৃত্যু হয় বিকালি রায় (৫০) ও ঝন্টু গড়াই (৩৫) নামে দুজনের। আহত হন ন’জন। আহতদের মধ্যে চারজনকে ভর্তি করা হয় দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে। বর্তমানে সেখানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনা সুত্রে জানা গেছে, গতকাল ইসিএলের সোধপুর ওয়াকসপ থেকে একটি ডাম্পারের করে খনির প্রয়োজনীয় বেশ কিছু লোহার সামগ্রী নিয়ে সংস্থার বাঙ্কলা এরিয়ার কুমারডিহি “এ”কোলিয়ারিতে ফিরছিলেন চালকসহ ১১ জন কর্মী। জাতীয় সড়কের মঙ্গলপুর এর কাছে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডাম্পার-টি উল্টে যায়। বিকালি ও ঝন্টু নামে দু’জনকে গুরুতর আহত অবস্থায় আসানসোল জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাদের মৃত বলে ঘোষণা করেন। বাকিদের রানীগঞ্জে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে চারজনকে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।বর্তমানে সেখানে তাদের চিকিৎসা চলছে। কোলিয়ারি সূত্রে জানা গেছে নিহত বিকালি রায় ইসিএলের স্থায়ী কর্মী। ঝন্টু গড়াই ঠিকাদার সংস্থার কর্মী। গতকাল বিকেলে মর্মান্তিক দুর্ঘটনার খবরে কুমারডিহি কোলিয়ারি এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। শুক্রবার সকাল নিহত ও আহত শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণের দাবিতে শ্রমিকরা বিক্ষোভ শুরু করে কোলিয়ারি-তে। দীর্ঘক্ষণ ঘেরাও করে রাখা হয় সংস্কার আধিকারিকদের।ব্যাহত হয় খনির উৎপাদন ও। বিক্ষোভের সময় কোলিয়ারি-তে পৌঁচ্ছান এলাকার বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। শ্রমিক ও শ্রমিক সংগঠনগুলোর দাবি কর্তৃপক্ষ মেনে নেওয়াই উঠে যায় বিক্ষোভ। শুরু হয় উৎপাদন। সংস্থা সূত্রে জানা গেছে মৃত স্থায়ী শ্রমিক এর পরিবার সংস্থার আইন অনুযায়ী আর্থিক ক্ষতিপূরণ ও পরিবারের একজন স্থায়ী চাকরি পাবেন। মৃত ঠিকা শ্রমিক এর পরিবার কে দেওয়া হবে মোট ১৫ লক্ষ টাকা আর্থিক ক্ষতিপূরণ ও পরিবারের একজনকে বেসরকারি নিরাপত্তারক্ষী হিসেবে নিয়োগ করা হবে কাজে। আহতদের চিকিৎসার সমস্ত ব্যয় ভার বহন করবে সংস্থা। কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে কোলিয়ারির ইঞ্জিনিয়ার বিনীত কুমারকে বদলি করা হয়েছে অন্যত্র।

LEAVE A REPLY