আনারুল হোসেনের গ্রেফতারের পরেই একটি মুচলেখাকে কেন্দ্র করে বিতর্ক বীরভূমে

0
80

পারমিতা মণ্ডল, রামপুরহাট, ৩১ মার্চ : আনারুল হোসেনের গ্রেফতারের পরেই একটি মুচলেখাকে কেন্দ্র করে চাপানউতোর শুরু হল বীরভূম। তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল পরিষ্কার জানিয়েছেন আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের লিখিত অনুরোধে আনারুলকে সভাপতি পদে বহাল রাখা হয়েছিল। আশিস বাবুর দাবি, দলের সিদ্ধান্তেই আনারুল কে সভাপতি পদে বহাল রাখা হয়েছিল। প্রসঙ্গত, ২১ মার্চ রাত্রে রামপুরহাটের বগটুই মোড়ে খুন হন তৃণমূলের বড়শাল গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ প্রধান ভাদু শেখ। খুনের বদলা নিতে পুড়িয়ে মারা হয় এক শিশু সহ নয় জনকে। পুড়িয়ে মারার ঘটনায় নাম জড়ায় তৃণমূলের রামপুরহাট ১ নম্বর ব্লক সভাপতি আনারুল হোসেনের। ২৪ মার্চ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বগটুই গ্রামে গিয়ে আনারুলকে গ্রেফতারের নির্দেশ দেন। পুলিশ ওইদিনই তারাপীঠ থেকে আনারুলকে গ্রেফতার করে। তিনি এখন সিবিআই হেফাজতে। এদিকে বৃহস্পতিবার একটি চিঠি ভাইরাল হয়। গত বছরের ১০ জুন ওই চিঠিটি জেলা সভাপতিকে লিখেছেন আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। চিঠিতে আনারুলকে পঞ্চায়েত নির্বাচন পর্যন্ত ব্লক সভাপতি পদে রাখার জন্য অনুব্রত মণ্ডলের কাছে লিখিত অনুরোধ করেছেন আশিসবাবু। এব্যাপারে অনুব্রত মণ্ডল বলেন, “কিছু একটা খবর পেয়েছিলাম বলেই তাকে সরাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আশিসবাবুর অনুরোধে তাকে রেখে দিতে হয়। তাছাড়া বিধানসভা এলাকাটা আশিসবাবুই কন্ট্রোল করতেন। ফলে বিষয়টি তিনিই বলতে পারবেন”। অভিযোগ উড়িয়ে আশিসবাবু বলেন, “বিধানসভা নির্বাচনের পর একটা সাধারণ সব হয়েছিল। সেখানেই আনারুলকে সরানোর কথা বলে অনুব্রত। কিন্তু অঞ্চল সভাপতিরা অনুরোধ করেন এখনই কাউকে সরাবেন না। সেই জন্যই আমি চিঠি লিখেছিলাম। তবে আনারুল দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত ছিল কিনা বলতে পারব না”।

LEAVE A REPLY