বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া নির্বিঘ্নে শেষ হলো আসানসোল উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণ

0
242

নিজস্ব সংবাদদাতা,অন্ডাল: মঙ্গলবার হল আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন। ভোট গ্রহণ শুরু হয় সকাল সাতটায় শেষ হয় সন্ধে সাড়ে ছ’টায়। তবে বেশ কিছু বুথে নির্দিষ্ট সময়ের পরও ভোটারদের লাইন লক্ষ্য করা গেছে। আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত খনি অঞ্চলের অন্ডাল,পাণ্ডবেশ্বর,লাউদোহায় বিক্ষিপ্ত কয়েকটি ঘটনা ছাড়া ভোটগ্রহণ শেষে হয়েছে শান্তিপূর্ণভাবেই। এদিন সকাল সকাল বিভিন্ন বুথে দেখা গেছে ভোটারদের লম্বা লাইন। তবে ভোট উৎসবে এবার শামিল হয়নি অন্ডালের মদনপুর পঞ্চায়েতের হরিশপুর গ্রামের বাসিন্দারা। ধসে ক্ষতিগ্রস্ত হরিশপুরের বাসিন্দারা পূনর্বাসনের দাবিতে আগেই জানিয়েছিল ভোট বয়কটের কথা। হরিশপুর এলাকায় রয়েছে দুটি বুথ। এদিন বেলা তিনটে পর্যন্ত কোন ভোটার ভোট দিতে বুথে যায়নি। পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার ছোড়া পঞ্চায়েত এলাকার বালুডাঙ্গা শিশু শিক্ষা কেন্দ্রের বুথে সকাল ন’টা নাগাদ সপরিবারে ভোট দেন তৃণমূল বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। বেলা সাড়ে দশটা নাগাদ বিজেপি নেতা জিতেন্দ্রনাথ তেওয়ারি লাউদোহা এলাকায় এলে সাময়িক উত্তেজনা তৈরি হয়। নবঘনপুর গ্রামের কাছে তার গাড়ি আটকায় পুলিশ। স্থানীয় বাসিন্দা ও ভোটার না হওয়া সত্তেও তিনি এলাকায় ঢোকার চেষ্টা করেন, যা নির্বাচনী বিধি ভঙ্গের শামিল বলে পুলিশের অভিযোগ। তার সাথে গাড়ির কনভয় ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জাওয়ানরা থাকায় আপত্তি জানায় পুলিশ। প্রায় ঘন্টা দুয়েক তিনি ওই জায়গায় আটকে থাকেন। এই সময় পুলিশের সাথে জিতেন্দ্র তেওয়ারি বচসায় জড়ান। পরে তিনি এলাকা ছেড়ে ফিরে যান। জিতেন্দ্র তেওয়ারি ফিরে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর লাউদোহায় আসেন বিজেপির প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পাল। তৃণমূলের সন্ত্রাস ও রাজ্য পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন সংবাদমাধ্যমের কাছে। অভিযোগ করেন সিংহভাগ বুথে তাদের এজেন্ট বসতে দেওয়া হয়নি। তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা মারধর করে তাদের এজেন্টদের তাড়িয়ে দিয়েছে। রাজ্য পুলিশ তৃণমূলকে সাহায্য করছে বলে অভিযোগ করেন অগ্নিমিত্রা দেবী। সিপিএম দলের পক্ষ থেকেও একই অভিযোগ করা হয়। দলের নেতা তুফান মন্ডল জানান পাণ্ডবেশ্বরের কেন্দ্রা, বৈদ্যনাথপুর সহ বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের সহযোগিতায় ভোট লুট করেছে তৃণমূল। বিরোধীদের সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দেন তৃণমূলের বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন কোন এজেন্টকে বুথে বসতে বাধা দেওয়া হয়নি। বিরোধীদের হয়ে কেউ বুথে বসতে না চাইলে তাদের কিছু করার নেই বলে দাবি নরেন্দ্রনাথবাবুর।

LEAVE A REPLY