অশনির জেরে নিম্নচাপের ভ্রুকুটি, কিছুটা বাধ্য হয়েই কাঁচা বোরো ধান বাড়িতে তুলছেন চাষীরা

0
161

নিজস্ব প্রতিনিধি,বাঁকুড়া: শস্য গোলার নামে পরিচিত বাঁকুড়ার কোতুলপুর, ইন্দাস পাত্রসায়ের সোনামুখী ব্লক। বছরে তিনবার জমিতে ফসল ফলান এই এলাকার চাষীরা। এই এলাকার চাষীদের মূল আর্থিক সংস্থান চাষাবাদ। কিন্তু আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনায় তিন ফসলী জমিতে চাষ করেও লোকসানের মুখ দেখছে বিস্তীর্ণ এলাকার চাষীভাইরা। অসময়ের শিলা বৃষ্টির জেরে ক্ষতি হয়েছে আলু চাষে। এবার বোরো ধান চাষেও ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে নিম্নচাপের বৃষ্টির ভ্রুকুটি। আবহাওয়া দপ্তর আশার আলো দেখালেও ঝুঁকি নিতে চাইছেন না বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর মহকুমার ইন্দাস কোতুলপুর, সোনামুখীর বিস্তীর্ণ এলাকার বোরো ধান চাষীরা। বোরো ধানচাষীদের অবস্থা এখন ঘরপোড়া গরুর মতো, সিঁদুরে মেঘ দেখলেই আশঙ্কার মেঘ ঘনাচ্ছে চাষীদের মনে। তাই কিছুটা বাধ্য হয়েই কাঁচাধানই মাঠ থেকে ঘরে তুলছেন চাষীরা, এতে ক্ষতি হবে জেনেও। চাষীদের দাবি, মহাজনের কাছে চড়া সুদে ঋণ ধার করে বোরোধান চাষ করেছিলেন বড়তি মুনাফা লাভের আশায়। কিন্তু এখন যা অবস্থা কাঁচাধান খামারজাত না করতে পারলে সমূহ বিপদ। সে কারণে বাধ্য হয়ে কাঁচা ধানই তারা বাড়িতে তুলছেন। অপরিনত ধান কাটার ফলে ধানের ওজন কমবে। পরিপূর্ণতা না পাওয়ায় মার খাবে ফলন। কিন্তু সবকিছু জানার পরও তারা বাধ্য। তবে আশার আলো দেখাচ্ছে কৃষি দপ্তর। কৃষি দপ্তরের দাবি ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ পাকলেই ধান কেটে নেওয়া যায়। কিন্তু অতিরিক্ত আদ্রতার পরিমান ই সমস্যা। এর জন্য কিছুটা ফলনের হেরফের হলেও বড় ক্ষতির আশঙ্কা থেকে ধান কেটে নেওয়া উচিত দাবি কৃষি দপ্তরের।

LEAVE A REPLY