তিনদিনের বাঁকুড়া জেলা সফরের শেষ দিনে সাংগঠনিক বৈঠকে যোগ দিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার

0
217

নিজস্ব প্রতিনিধি,বাঁকুড়াঃ বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এর তিন দিনের বাঁকুড়া জেলা সফরের আজ শেষ দিন। এদিন তিনি বাঁকুড়ার একটি বেসরকারি লজে এ সাংগঠনিক বৈঠকে মিলিত হন জেলার নেতৃত্ব ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে। তার আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে হরিদেবপুরে বোমা ও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার কাঠগোড়ায় তুললেন রাজ্যের শাসক দলকেই। তিনি বলেন, গোটা রাজ্যেই এধরনের ঘটনা ঘটছে। এটা নতুন কিছু নয়। সামনেই পঞ্চায়েত ভোট।  তোলাবাজির কারবার কায়েম রাখতে হলে অস্ত্র ছাড়া সম্ভব নয়। তবে যে অস্ত্র উদ্ধার হচ্ছে তা হিমশৈলের চুড়ামাত্র। মুঙ্গেরকে একসময় সমালোচনা করা হত। এখন পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় এই শিল্প চলছে। আমি জানি না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই ধরনের শিল্প লগ্নিকারীদের শিল্প বৈঠকে আমন্ত্রণ করেছিলেন না করেননি, বলে কটাক্ষ করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।বিশ্বভারতী প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন, বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদগ্ধ পন্ডিত। বিশ্ববিদ্যালয় স্বয়ংশাসিত সংস্থা। তাদের কেউ নির্দেশ দিতে পারেনা।  তাঁর ধারনা আছে কি করা উচিৎ। উপাচার্যর কোনো কাজ কারো পছন্দ না হতেই পারে। কিন্তু এধরনের বিশৃঙ্খলা করা অপরাধ। দুপক্ষকে কথা বলে বিষয়টি মিটিয়ে নেওয়া উচিৎ।নন্দীগ্রামে তৃনমূল নেতা শাসমুল ইসলামের গ্রেফতারি প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন, নতুন কিছু নয়। বিভিন্ন জায়গায় তৃনমূল কংগ্রেস এরকমটা করে। খোঁজ নিয়ে দেখলে দেখা যাবে ৬ মাস পর ছাড়া পেয়ে যাবে। পরে আবার সে এমনি করছে।অনুব্রতর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়া নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সুকান্ত মজুমদার বলেন,এবার সিবি আইএর উচিৎ আবার অনুব্রতকে ডেকে মমলা আগের দিকে নিয়ে যাওয়া। প্রয়াগরাজে পাঁচ জনের মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা।  আমাদের খুব বেশি চিন্তার প্রয়োজন নেই। এক্ষেত্রে উত্তরপ্রদেশের সরকার অত্যন্ত সক্রিয়। উত্তর প্রদেশের মানুষ  জানে কীভাবে ব্যবস্থা নিতে হয়। যোগী আদিত্যনাথ সঠিক তদন্ত করে দোষীদের শাস্তি দেবে। ঘরছাড়াদের ঘরে ফেরানোর প্রশ্নে সুকান্ত মজুমদার এর দাবি পরিস্থিতি ভয়ঙ্করতম। বাড়ি নেই তো ঘরে ফিরবেন কিভাবে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ঘরছাড়াদের ঘর বাড়ি ভেঙে তছনছ করে দেওয়া হয়েছে। ঘরে ফেরার পর তাদের ওপর আক্রমণ হবে। ঘরে ফেরার কথা বললেই হবে না পুলিশকে দায়বদ্ধ করতে হবে মহামান্য আদালতকে। তাদের ওপর আক্রমণ হলে পুলিশকে জবাবদিহি করতে হবে,তাদের চাকরি যাবে। কোটের নজরদারি থাকলে তবেই ঘরছাড়াদের ঘরে ফেরানো যাবে।

LEAVE A REPLY