পারাপার করতে গিয়ে কাঠের সেতু ভেঙ্গে বিপত্তি,গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ স্থানীয়দের

0
187

নিজস্ব প্রতিনিধি,বাঁকুড়াঃ বাঁকুড়া গন্ধেশ্বরী নদীর উপর কংক্রিটের বড় ব্রিজ হচ্ছে গত চার বছর ধরে। নির্মীয়মান ব্রিজ কবে হবে কেউ জানে না। গত দু’বছর করোনার কারণে বন্ধ ছিল নির্মাণকাজ,সে দোহাই দিচ্ছেন প্রশাসনও। গন্ধেশ্বরী নদীর উপর ৬০ নম্বর জাতীয় সড়ক হয়ে গন্ধেশ্বরী নদী পারাপার করতে গেলে প্রায় তিন কিলোমিটার ঘুরে যেতে হয় স্থানীয় বাসিন্দাদের। বাঁকুড়ার গন্ধেশ্বরী নদী পেরিয়ে বাঁকুড়ার কেসিয়াকোল,বিকনা,হেবিরমোড় সহ বিস্তীর্ণ বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষকে প্রতিদিনই বিভিন্ন দরকারে পারাপার করতে হয় গন্ধেশ্বরী সেতু। বাঁকুড়া শহরের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনকারী গন্ধেশ্বরী সেতু ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর হওয়ায় সবসময় ব্যস্ততম রাস্তা। সকাল থেকেই, গন্ধেশ্বরী নদীর অপর পাড়ের স্থানীয় মানুষজনদের বিভিন্ন রকম দরকার স্কুল কলেজ সহ অফিস আদালত বাজার হাট করত আসতে হয় বাঁকুড়া শহরে। সে কারণেই পৌরসভার তরফ থেকে সাধারণ মানুষের কথা ভেবে ২০২১ সালে গন্ধেশ্বরী নদীর উপর অস্থায়ী কাঠের সাঁকো বাড়ানো হয়েছিলো, পথচলতি মানুষজন সহ দুই চাকা যানবাহনের জন্য। কিন্তু সম্প্রতিকালে চার চাকা যানবাহন আটককারী বেশ কয়েকটি লোহার বেরিয়ার কোনো এক অজ্ঞাত কারণে তুলে দেওয়া হয়েছে। তারপরই থেকেই এই নড়বড়ে কাঠের অস্থায়ী সেতু দিয়েই পারাপার করছে ভারী চার চাকার যানবাহন। আজও সেরকমই একটি চাল বোঝাই লরি এই কাঠের সেতু দিয়ে পারাপার করতে গেলে বাধে বিপত্তি। সেতুর রেলিং ধাক্কা মেরে আটকে পড়ে লরিটি। লরির ধাক্কায় সেতুর রেলিং সহ সেতুর বেশকিছুটা অংশ ভেঙে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা ট্রাকটিকে আটক করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। ঘটনাস্থলে এসে পৌছায় বাঁকুড়া সদর থানার পুলিশ। বিক্ষোভকারী স্থানীয়দের দাবি অবিলম্বে এই রাস্তায় চারচাকা যানবাহনের জন্য বন্ধ করা হোক প্রশাসনের তরফ থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করে। লরির মালিককে ভেঙে যাওয়া সেতু মেরামতির ব্যবস্থা করে দিতে হবে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সেতুর মাঝামাঝি আটকে পড়া চাল বোঝাই লরিটিকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয় বাঁকুড়া সদর থানায়। স্থানীয় এক যুবক পয়সার বিনিময়ে লরি সেতু পার করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়াতেই লরি নিয়ে সেতুর উঠেছিলেন এমনই অভিযোগ জানিয়েছেন অভিযুক্ত লরি চালক।

LEAVE A REPLY