নদীবক্ষে নৌকা চালাতে গেলে দিতে হবে মোটা টাকা,দিতে না পারায় বন্ধ নৌকা যাতায়াত

0
47

নিজস্ব প্রতিনিধি,বাঁকুড়াঃ বর্ষায় নদীবক্ষ পারাপারের মাধ্যম নৌকা। এলাকার কিছু মানুষ বর্ষায় নৌকা চালিয়ে উপার্জন করে। এবার সেই উপার্জনেও লাগাম পড়ল।পঞ্চায়েত থেকে নৌকা চালানোর জন্য চাওয়া হয়েছে মোটা টাকা। আর সেই টাকা দিতে না পারায় বাঁকুড়ার ওন্দা ব্লকের দ্বারকেশ্বর নদের চাবড়া নদীঘাটে বন্ধ নৌকায় যাত্রী পারাপার। সমস্যায় মানুষজন। বিডিও নির্দেশে পঞ্চায়েত থেকে এই টাকা চাওয়া হয়েছে বলেই দাবী স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যের। টাকার দরকার, দরকার কাটমানির তাই আমলা ও তৃনমূলের নেতারা এখন নৌকাতে দৃষ্টি দিয়েছেন কটাক্ষ বিজেপির। দ্বারকেশ্বর নদের জল বেড়েছে।  ভরা বর্ষায় নদী পারাপারের ভরসা একমাত্র নৌকা। হাজার হাজার মানুষ নৌকা দিয়ে পারাপার করে দ্বারকেশ্বর নদ। এলাকার কিছু মানুষ এই নৌকা চালিয়ে উপার্জন করেন। চলতি মরসুমে এবার নৌকা পারাপার নিয়ে সমস্যায় পড়লেন নৌকা চালকরা। অভিযোগ চলতি মরসুমে দ্বারকেশ্বর নদের জল বাড়তেই শুক্রবার সকালে নৌকা চলাচল শুরু করে নৌকা চালকরা। এরপরেই স্থানীয় মাঝডিহা পঞ্চায়েত অফিস থেকে তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। ঘটনা বাঁকুড়ার ওন্দা ব্লকের গামিদ্যা দ্বারকেশ্বর নদের ঘাটে। নৌকা চালকদের অভিযোগ নদী বক্ষে নৌকা নিয়ে যাত্রী পারাপারের জন্য স্থানীয় মাঝডিহা পঞ্চায়েত থেকে চাওয়া হয়েছে নৌকা পিছু ২০ হাজার টাকা। কিন্ত এই টাকা দিতে তারা পারবে না জানাচ্ছেন নৌকা চালকরা। প্রতিবছর পঞ্চায়েত কে সামান্য অর্থ দেওয়া হলেও এবারে মোটা টাকা চাওয়াতে বেশ সমস্যায় পড়েছেন নৌকা চালকরা। এই টাকা কাটমানি হিসেবে চাওয়া হয়েছে বলেই অভিযোগ তুললেন স্থানীয় নৌকা চালকরা। যদিও এই বিষয়ে স্থানীয়  তৃনমূলের পঞ্চায়েত সদস্য অশোক চক্রবর্তী জানান, ওন্দা বিডিও অনুমতি নিয়ে পঞ্চায়েত বোর্ড মিটিং এ ঘাটের ডাক হিসেবে ওই টাকা চাওয়া হয়েছে। পঞ্চায়েতের নিজস্ব তহবিল বাড়ানোর জন্য এই টাকা চাওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। অন্যদিকে নৌকা না চলায় দ্বারকেশ্বর নদ পারাপার করতে বড় সমস্যায় পড়লেন ওন্দা ব্লকের একটা বড় অংশের মানুষ। বিজেপির দাবি, আমলা ও তৃনমূলের নেতাদের কাটমানির প্রয়োজন তাই এবার গরীব মানুষের নৌকার উপর নজর পড়েছে। এটা নিয়ে আমরা আন্দোলনে নামছি বলেও হুঁশিয়ারি বিজেপি বিধায়কের। সদর মহকুমা প্রশাসনে দাবি অবশ্য গ্রামপঞ্চায়েত বা পঞ্চায়েত সমিতি নিজস্ব তহবিল বাড়াতে নিলাম পদ্ধতি ব্যবহার করতেই পারেন। এক্ষেত্রে ফেরিঘাটের নিলাম হয়েছে, যে সর্বোচ্চ ডাক দিয়েছে তিনি ফেরিঘাট চালানোর অধিকার পেয়েছেন এর মধ্যে কোন অসুবিধা নেই বলেই দাবী মহকুমা শাসকের।

LEAVE A REPLY