পুরুলিয়ায় জোড়া খুনের তদন্তে পুলিশকে সাহায্য করতে আসছে সিআইডি

0
79

সাথী প্রামানিক,পুরুলিয়াঃ পুরুলিয়ায় জোড়া খুনের ঘটনার পর তিনদিন কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত অধরা থেকে গেছে খুনিরা। খোঁজ পাওয়া যায়নি খোওয়া যাওয়া দুটি মোবাইল ফোন ও মোটর সাইকেল।  কী কারণে খুন তাও পরিষ্কার নয়। বাবা ও ছেলেকে কে বা কারা কেনো এমন নির্মমভাবে খুন করল তা বুঝে উঠতে পারছেন না কানালি গ্রামের বাসিন্দারাও। সোমবার জেলা পুলিশের একাধিক পদস্থ অফিসার গ্রামে গিয়ে নিহতদের পরিবার পরিজনদের সঙ্গে আলাদা আলাদা করে কথা বলেছেন। খুনের ঘটনাস্থলটি লাল ফিতে দিয়ে ঘিরে দেওয়া হয়েছে। দুষ্কৃতীদের সন্ধানে ওই গ্রাম লাগোয়া ঝাড়খণ্ড সীমান্তে যান জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিনাকী দত্ত।  এই জোড়া খুনের ঘটনায় জেলা পুলিশকে তদন্তে সাহায্য করতে আসছে সিআইডি। যদিও নিহতের পরিবার পুলিশি তদন্তে খুশি নয় বলে জানিয়েছেন। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার সময় দুষ্কৃতীদের কয়েকজনকে চিনতে পারেন ষাটোর্ধ্ব মদন চন্দ্র পাণ্ডে ও তাঁর ছেলে কানাই লাল পাণ্ডে। আর তাই প্রমাণ লোপাট করতেই খুন! ঘটনায় খুনের কারণ পরিষ্কার নয় পুলিশের। পুরুলিয়ার চাষ মোড়ে পেট্রল পাম্পের ম্যানেজার ছিলেন মদনবাবু। তাঁর বছর ছত্রিশের ছেলে কানাই লাল পাণ্ডে পেট্রল পাম্পের ওয়ে সেকশনের কর্মী ছিলেন। শনিবার রাত ১০ টা নাগাদ ছেলের মোটরবাইকে চড়ে বাড়ি ফিরছিলেন মদনবাবু। পুরুলিয়ার মফস্বল থানার কানালি গ্রামের কাছে ফাঁকা মাঠের কাছে পৌঁছনোর পরই বিপত্তি। অভিযোগ, ডাকাতির উদ্দেশে জড়ো হওয়া বেশ কয়েকজন তাঁদের পথ আটকায়। বাবা ও ছেলেকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। মাথায় কুপিয়ে নির্মমভাবে তাদের হত্যা করে দুষ্কৃতীরা।

LEAVE A REPLY