দুর্গাপুরে কমনওয়েলথে সোনাজয়ী দুই ক্রীড়াবিদকে সম্বর্ধনা দিতে এলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ডাঃ সুভাষ সরকার

0
60

জয় লাহা, দুর্গাপুর, ৪ জানুয়ারীঃ ‘স্টেশনে বিজেপিকর্মীরা কোন পথে যাচ্ছে, সেটা যদি রাজ্যপুলিশ ট্র্যাক করতে পারে, তাহলে বন্দেভারতে কারা পাথর ছুড়ছে সেটাও ট্র্যাক করতে পারবে। এটা না পারলে বুঝতে হবে তৃণমূল বাধা দিচ্ছে।” বৃহঃস্পতিবার দুর্গাপুরে কমনওয়েলথে সোনাজয়ী দুই ক্রীড়াবিদকে সম্বর্ধনা দিতে এসে এভাবেই রাজ্য সরকারকে বিঁধলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী (রাষ্ট্র) ডাঃ সুভাষ সরকার। একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের জন্মদিনে রাজ্যে ৪৮ রেল প্রকল্পের প্রস্তাবিত জমি দেওয়ার আর্জি জানান তিনি। প্রসঙ্গত, গত কয়েকদিন ধরে সিএএ বিরোধী আন্দোলনকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছে বন্দেভারতে পাথর ছোড়া কান্ড। তাই উত্তাল সারা দেশ। প্রশ্ন উঠেছে, রাজ্যে গুরুত্বপুর্ন ওই ট্রেন চালানোর বিরোধীতায়। যদিও পাথর ছোঁড়া কান্ডে রাজ্য পুলিশ ও সিআইডির ওপর তদন্তভারে ভরসা রেখেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী (রাষ্ট্র) ডাঃ সুভাষ সরকার। বৃহঃস্পতিবার দুর্গাপুরে কমনওয়েলথের পাওয়ারলিফটিং চ্যাম্পিয়ানশিপে সোনাজয়ী সীমা দত্ত চ্যাটার্জী ও অংশু সিং কে সম্বর্ধনা দিতে আসেন তিনি। এদিন তাদের সম্বর্ধনা দেওয়ার পাশাপাশি তাদের অনুশীলন ক্ষেত্র পরিদর্শন করেন। এমনকি নিজেও শারীরিক কোসারত পরখ করে দেখেন। তার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন,” জাতীয় শিক্ষানীতি অনেক বেশী সমাজের জন্য কাজে লাগবে। ভারতীয় জ্ঞান পরম্পরায় কাজে লাগবে। একই সঙ্গে ক্রীড়া জগতকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে কাজে লাগবে। ক্রীড়াকে ঐচ্ছিক বিষয় রাখা হয়েছে। কারও গনিত পছন্দ না হলে ক্রীড়া বিষয় রাখতে পারে।”  সেখান থেকে বেরিয়ে আবারও তিনি সাংবাদিকদের বন্দে ভারতে পাথর ছোঁড়ার তদন্ত সিআইডির প্রশ্নে তিনি বলেন,” আইনশৃঙ্খলা রাজ্যের বিষয়। কাজেই প্রথম সুযোগ তাদের দেওয়া উচিত। রাজ্য পুলিশ না পারলে, তখন অন্য তদন্তকারী এজেন্সী তদন্ত করবে।” তিনি আরও বলেন,” স্টেশনে বিজেপি কর্মীরা কোন পথে যাচ্ছে, সেটা যদি রাজ্য পুলিশ ট্র্যাক করতে পারে। তাহলে বন্দেভারতে কারা পাথর ছুড়ছে সেটাও ট্র্যাক করতে পারবে। এটা না পারলে বুঝতে হবে তৃণমূল বাধা দিচ্ছে।” ৫ জানুয়ারী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন। জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়ে ডাঃ সুভাষ সরকার বলেন,” জন্মদিনে শুভেচ্ছার সঙ্গে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মানুষের উন্নতির জন্য কাজ করুন। কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি রূপায়িত করুন। সর্বোপরি রাজ্যে ৪৮টি রেল প্রকল্প জমিজটে আটকে। প্রস্তাবিত জমি দেওয়ার আর্জি জানাচ্ছি। তাহলে বাজেটে অর্থ বরাদ্দ করতে পারব।”  

LEAVE A REPLY