বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা নেওয়ার অভিযোগ এক কর্মীর বিরুদ্ধে

0
87

নিজস্ব প্রতিনিধি,বর্ধমানঃ এবার বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠলো বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্মীর বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ভক্ত মণ্ডল বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিনান্স ডিপার্টমেন্টে কর্মরত। অভিযোগকারী পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষ থানার মাসিলা গ্রামের বাসিন্দা সুব্রত কুমার সরকার। তাঁর অভিযোগ,  ভক্ত মণ্ডল তার ছেলেকে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি পাইয়ে দেবেন বলে দু’লক্ষ টাকা দাবী করেন। ভক্ত মণ্ডলের চাহিদা মত সুব্রত সরকার নগদ চল্লিশ হাজার টাকা দেন এবং একটি চার কাঠার জমি ভক্ত মণ্ডলের কাছে বিক্রি করেন, যার দাম ঠিক হয় এক লক্ষ ষাট হাজার টাকা। এই চার কাঠা জমি ভক্ত মণ্ডল তার কাকার ছেলে বাবু মণ্ডলের নামে রেজেষ্ট্রি করেন বলে জানান সুব্রত বাবু। কিন্তু টাকা নেওয়ার পরেও দু’বছর পার হয়েগেলেও চাকরি অথবা টাকা ফেরত কোনটাই ভক্ত মণ্ডল দেন নি বলে অভিযোগ সুব্রত বাবুর। এবিষয়ে একাধিকবার  ভক্ত মণ্ডলের কাছে টাকা ফেরত চাইতে গেছেন,  কিন্তু টাকা ফেরত পাননি বলে জানান সুব্রত বাবু। শেষমেশ পঞ্চাশ হাজার টাকার একটি চেক ভক্ত মণ্ডল সুব্রত সরকারকে দেন এবং বাকি টাকা তিনবারে পঞ্চাশ হাজার করে দেবেন বলে জানান ভক্ত মণ্ডল। কিন্তু ব্যাঙ্কে গিয়ে সুব্রত সরকার জানতে পারেন ভক্ত মণ্ডলের অ্যাকাউন্টে মাত্র  চার হাজার টাকা আছে। ফের টাকা ফেরত চাইতে গেলে ভক্ত মণ্ডল হুমকি দেয় এবং টাকা ফেরত দেবে না বলেন,  অভিযোগ সুব্রত সরকারের। এই দু’লক্ষ টাকা ভক্ত মণ্ডল আত্নসাৎ করেছে বলে অভিযোগ করেন সুব্রত বাবু।  টাকা ফেরতের দাবীতে ভক্ত মণ্ডলের নামে বর্ধমান থানায় লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি। যার বিরুদ্ধে অভিযোগ সেই ভক্ত মণ্ডল জানিয়েছেন, আমার বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ মিথ্যা। সুব্রত সরকারদের একটি যৌথ জমি আছে যার ছ’জন ভাগীদার। এতদিন সেই জমির সবটাই তিনি একা ভোগ করতেন। বাকি ভাগীদাররা জমি বিক্রি করে দিচ্ছে জানতে পেরে আমি একটি জমি কেনার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করি।একটি জমি আমার সাথে আশি হাজার টাকায় রফা হয়। আমি অগ্রিম একটি পঞ্চাশ হাজার টাকার চেক দিয়েছিলাম এবং যেদিন রেজেস্ট্রি হবে সেদিন সমস্ত টাকা মিটিয়ে দেব বলে জানিয়েছিলাম। আমার উপর জমি সংক্রান্ত আক্রোশের থেকেই উনি এই ধরনের অভিযোগ আনছেন। এই অভিযোগের বিরুদ্ধে আমরা হাইকোর্টে মামলা করেছি। সেখানে সত্য ঘটনা প্রকাশ্যে আসবে।এই বিষয়ে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিমাই চন্দ্র সাহা বলেন, আমার কাছে এরকম কোন অভিযোগ জমা পড়ে নি।অভিযোগ করলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী দেখা হবে।

LEAVE A REPLY