কেন্দ্র,রাজ্য ও গোর্খা প্রতিনিধি নিয়ে ত্রিপাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমে পাহাড়ের উন্নতি চায় বিজেপি,তাই জিটিএর সর্বদলীয় বৈঠক বয়কট বিজেপির

0
183

নিজস্ব প্রতিনিধি,বাঁকুড়া: “জিটিএর বৈঠক বিজেপির বয়কট করা স্বাভাবিক ঘটনা। কারন ২০১৭ র পর থেকে জিটিএ র কোনো আইনগত অস্তিত্বই নেই”। আজ বাঁকুড়ার জুনবেদিয়ায় সাংসদ অফিসে সাংবাদিক সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বিজেপির জিটিএ বৈঠক প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া দিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকার। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “জিটিএ তে রাজ্যের একজন সিগনেটারি ছিলেন বিমল গুরুং। তিনি পরিস্কার বলেছেন জিটিএ র নিজেদের কাজ সম্পূর্ণ করতে পারেননি। আমরা বিজেপি চাই পাহাড়ের উন্নতি। আমরা চাই ত্রিপাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমে পাহাড় সমস্যার সমাধান। যেখানে রাজ্য, কেন্দ্র ও গোর্খাদের প্রতিনিধি থাকবে। তাই জিটিএ র বৈঠক বয়কট করেছে বিজেপি”। “রাজ্যের শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির সাথে কল্যানী এইমসে বিজেপির বিধায়ক কন্যার চাকরীর তুলনা হয়না। বিধায়ক কন্যা ঠিকাদার সংস্থার ঠিকা কাজ করছে । আমার বিরুদ্ধে ওঠা সুপারিশের অভিযোগ অবান্তর। নন ইস্যুকে ইস্যু করা হচ্ছে”। কল্যানী এইমসে বাঁকুড়ার বিধায়ক কন্যা মৈত্রী দানার চাকরী প্রসঙ্গে এই প্রতিক্রিয়া দিলেন সুভাষ সরকার। সম্প্রতি এক বিজেপি কর্মী কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি দিয়ে জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুভাষ সরকারের সুপারিশে বাঁকুড়ার বিজেপি বিধায়ক নিলাদ্রী শেখর দানার কন্যা মৈত্রী দানা এইমসে চাকরী পেয়েছেন। সেই চিঠি সামনে আসতেই রাজ্য জুড়ে শুরু হয় বিতর্ক। “জঙ্গলমহলকে পৃথক রাজ্যের দাবি দলীয় অবস্থানের পক্ষে নয়। দল যেহেতু পৃথক জঙ্গলমহল রাজ্যের পক্ষে নয় তাই আমিও ব্যাক্তিগত ভাবে তার পক্ষে নই। রাজ্যের কেউ কেউ এই দাবির সপক্ষে কথা বললে তিনি সংবাদমাধ্যমে ছবি দেখানোর জন্য বলে থাকতে পারেন”। গতকাল বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরে দলীয় কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, আসানসোল ও বীরভূম জেলাকে নিয়ে পৃথক রাজ্য গঠনের পক্ষে জোর সওয়াল করেন। সৌমিত্র খাঁ কী সংবাদমাধ্যমের নজর টানতেই এই দাবি তুলেছেন ? মন্তব্য করতে চাননি সুভাষ সরকার। রাজ্যে নার্স নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক নিয়েও এদিন মুখ খুলেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকার। তিনি বলেন, “শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে যে দুর্নীতি হয়েছে তেমনই নার্স নিয়োগেও দুর্নীতি হয়েছে। ইনটার্ণশিপ শেষ হওয়ার আগেই তাকে নিয়োগ দিয়ে দেওয়া হয়েছে। সরকার আপাদমস্তক দুর্নীতিতে ভরে গেছে। রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। যে চিকিৎসকরা পড়াতে পারে না, যারা কাজ করে না, যারা মাত্র দু ঘন্টা হাসপাতালে আসে তাদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে”।

LEAVE A REPLY