ঝালদায় তপন কান্দুর খুনের ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সুভাষ গরাইয়ের জবানবন্দি পুরুলিয়া জেলা আদালতে

0
253

সাথী প্রামানিক,পুরুলিয়া,৪ মে: ঝালদার কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দুর খুনের ঘটনার লিখিত অভিযোগকারি সুভাষ গরাইয়ের জবানবন্দি নেওয়া হল পুরুলিয়া জেলা আদালতে। আজ বুধবার পুরুলিয়া জেলা আদালতে সিবিআইয়ের তদন্তকারী আধিকারিকরা এবং তাদের আইনজীবী জেলা আদালতের সুভাষ গরাইকে নিয়ে আসে।প্রসঙ্গত,  তপন কান্দু খুনের অন্যতম প্রত্যক্ষদর্শী সুভাষ গরাই একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।  তিনি অজ্ঞাত পরিচয় দুষ্কৃতীদের নামে খুনের অভিযোগ করেন। তবে ওই এফ আই আর- এ কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম উল্লেখ নেই। এই ঘটনায় একাধিক দুষ্কৃতী ছিল বলে অভিযোগ করেন ওই পুরকর্মী সুভাষ। তপন কান্দুর খুনের ঘটনায় এই প্রত্যক্ষদর্শী  ঝালদা থানায় যে লিখিত অভিযোগ করেন, তার ভিত্তিতেই মামলা শুরু ঝালদা থানার পুলিশ। যদিও এই লিখিত অভিযোগ নিয়ে অনেকই প্রশ্ন তুলেছেন। ঘটনার ১ দিন পর  অর্থাৎ ১৫ই মার্চ ঝালদা শহরের আনন্দবাজারের বাসিন্দা পৌর কর্মী সুভাষ গড়াই একটি লিখিত অভিযোগ করেন। কিন্তু নিহত তপন কান্দুর স্ত্রী পূর্ণিমা কান্দু ১৪ তারিখ লিখিত অভিযোগ করেছিলেন। কিন্তু সেই অভিযোগ গ্রহণ করা হয়নি।অভিযোগ সুভাষ গড়াই এর অভিযোগ ১৪ তারিখ দেখানো হয়েছে। ফলে নিহত তপন কান্দুর পরিবারের লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়নি। ঝালদা থানার পুলিশের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ করে ছিলেন পূর্ণিমা। পাশাপাশি জেলা আদালতে জবানবন্দি দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। সেই মতো গত ১৯শে মার্চ পূর্ণিমা  কান্দু জেলা আদালতের ৩ কোর্টের বিচারকের কাছে জবানবন্দি দেন। সেই একই অভিযোগে এবার লিখিত অভিযোগকারী সুভাষ গড়াইও আদালতের কাছে জবানবন্দি দিলেন। পাশাপাশি এই খুনের ঘটনায় সিটের হাতে গ্রেফতার হওয়া নিহত তপন কান্দুর ভাইপো দীপক কান্দুকে জেলের ভেতরে জিজ্ঞাসাবাদ করার আবেদন জানিয়েছে সিবিআই। এই লিখিত অভিযোগকারি সুভাষ গড়াই সিবিআইয়ের কাছে ঝালদা থানার পুলিশের বিরুদ্ধে জবানবন্দি দেন। আজ এই ঘটনার পর নিহত তপনের স্ত্রী পূর্ণিমা বলেন, ” সুভাষ গরাইয়ের আগে আমার লিখিত অভিযোগ পুলিশ গুরুত্ব দেয় নি। পুলিশ নিজের মতো করে লিখিয়েছে সুভাষকে। এটাতে আই সি সঞ্জীব ঘোষ জড়িত বলে আমি মনে করি। সিবিআইয়ের উপর আমার পূর্ণ আস্থা আছে। তদন্তে সত্যিটা উঠে আসবে এবং আরও বড় মাথাদের দোষ প্রমাণ হবে,  শাস্তি হবে।”

LEAVE A REPLY