লক্ষ্মী পুজোর বাজারে আগুন,দাম বেড়েছে ফল,ফুল,সবজী থেকে প্রতিমা সব কিছু

0
48

নিজস্ব প্রতিনিধি,বাঁকুড়াঃ কোজাগরী লক্ষ্মী পুজোর আগুন লাগেছে বাজারে। এমনিতেই ফল, ফুল, সবজীর দাম একটু চড়া ছিলই। তার উপর লক্ষ্মীপুজোর জন্য চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় দাম আরো খানিকটা বৃদ্ধি পেয়েছে। এই অবস্থায় লক্ষ্মীপুজোর বাজার সারতে রীতিমত কালঘাম ছুটছে মধ্যবিত্ত গৃহস্থের। আজ কোজাগরী লক্ষ্মী পুজো। এই পুজোয় ফল, ফুল, সবজী মাস্ট। স্বাভাবিক ভাবে আজ সকাল থেকে বাঁকুড়ার চকবাজার,বড়বাজার,পৌরসভাবাজার, মনোহরতলা বাজার সর্বত্রই উপচে পড়ছে ক্রেতাদের ভিড়। চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় দাম চড়েছে সব কিছুরই। সবজী বাজারে কিলো প্রতি পটল -৩০ থেকে ৪০ টাকা,  কাঁচালঙ্কা -৭০থেকে ৮০ টাকা,  ফুলকপি – ৮০ থেকে ১০০ টাকা,  মুলো – ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বাঁধাকপির বাজারদর কিলোপ্রতি ৪০ থেকে ৬০ টাকা, বরবটি -৬০ টাকা, টমেটো -৮০ টাকা,  শসা – ৫০ থেকে ৬০ টাকা ও বেগুন  কিলোপ্রতি ৪০ টাকা দরে কিনতে বাধ্য হচ্ছে সাধারন মানুষ। একই অবস্থা ফলের বাজারেও। আপেল – ১৪০ টাকা,  নাসপাতি -১২০ টাকা,  মুসাম্বি -১০০ টাকা,  নারকেল -৬০ টাকা, পেয়ারা -১০০ টাকা,  পানিফল -৮০ টাকা কিলোপ্রতি দরে বিক্রি হচ্ছে। এক ডজন কলার দাম ৫০ থেকে ৬০ টাকা ও একটি মাঝারি আকারের বাতাবি লেবুর দাম ৫০ টাকা। গতবছরও ছোট আকারের লক্ষ্মী প্রতিমার দাম যেখানে ছিল দেড়শো থেকে দুশো টাকা এবার সেই প্রতিমারই দাম বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৩০০ থেকে সাড়ে তিনশো টাকা হয়েছে।ক্রেতা বিক্রেতারা সকলেই একবাক্যে মানছেন লক্ষ্মী পুজোর এবারের বাজারদর চড়েছে। তবে অগ্নিমূল্য এই বাজারদরে লক্ষ্মীপুজোর বাজার সারতে রীতিমত হাত পুড়ছে মধ্যবিত্ত গৃহস্থের। অনেককেই বরাদ্দ পরিমাণ কাটছাঁট করে বাজেট সামাল দিতে বাধ্য হচ্ছেন । বিক্রেতাদের দাবী চলতি মনসুমে এমনি বাজার একটু চড়া ছিলো তার ওপর লক্ষ্মী পূজার সময়ে যে বাজারের যোগান থাকে তা এ বছর অনেকাংশেই কম আর এর ফলেই বাড়ছে বাজারদর। এর সাথে জ্বালানীর দাম বৃদ্ধিতে বেড়েছে পরিবাহন খরচও। আর তার জেরেই কিছুটা দাম বেড়েছে সব সামগ্রীর। কিন্তু এই বাজারদর বৃদ্ধিতে সবথেকে বেসামাল ক্রেতা সাধারণ। দেবী লক্ষীর মূলত প্রত্যেকটি গৃহস্থলীর বাড়িতেই পূজিতা হন গৃহলক্ষ্মী হিসাবে। সেই লক্ষ্মীপূজা করতে গিয়ে বাজারদরে হাত পুড়ছে মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের।ক্রেতাদের দাবি গত দু’বছর করোনার কারণে সেভাবে পুজো করতে পারেন নি। পুজো হলেও তা হয়েছিল নমো নমো করে। ইচ্ছে ছিল বড় করে পূজা করার। কিন্তু যা চড়া বাজারদর তাতে বাজেট কাটছাঁট করে কোনরকমে করতে হচ্ছে লক্ষী পূজা।

LEAVE A REPLY