তৃণমুলে যাওয়ার জল্পনা উড়িয়ে লকেট বললেন,তৃণমূলের এজেন্ট হিসাবে বিজেপি দলে কিছু লোক রয়েছে তারাই এই ধরনের জল্পনা তৈরী করছে

0
145

নিজস্ব প্রতিনিধি,বাঁকুড়াঃ রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা মুখ্যমন্ত্রীর হাতের বাইরে চলে গেছে। কোনো অপরাধের বিচার সঙ্গে সঙ্গে না হওয়ার জন্যেই এমন পরিনতি। যারা আজ এমন নোংরা কাজ করছে তারা জানে  আমাদের কোনো শাস্তি হবে না। ফলে যা খুশি তাই করছে। যারা মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে নিজেদের নিরাপদ মনে করে তাদের এই অবস্থা হলে গ্রাম বাংলার অবস্থা কী? এই ঘটনায় অভিযুক্তদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও উচ্চ থেকে উচ্চতর শাস্তি দেওয়া উচিৎ। বাঁকুড়া শহরে একটি বেসরকারি লজে প্রধানমন্ত্রীর আট বছরের সেবা সুশাসন ও গরীব কল্যাণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে জোড়া খুনের ঘটনায় এই প্রতিক্রিয়া দিলেন সাংসদ তথা বিজেপি মহিলা নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়। সম্প্রতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, দলের অন্দরে  কিছু গদ্দার রয়েছে। তারাই ভেতরের খবর বাইরে বের করে দিচ্ছে। এদিন সেই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন,  “রাজ্য সভাপতি যা বলেছেন আগে অনেকেই তা বলেছেন। যারা দলের অন্দরের খবর বাইরে বের করে দিচ্ছে  তাদের একে একে নাম সামনে আসতে শুরু করেছে। তৃণমূলের মাইনে করা যারা বিজেপিতে ঢুকে এই দলকে ভাংবার চেষ্টা করছে তাদের চিহ্নিত করে তাদের আসল চরিত্র সামনে আনা হবে”। দিলীপ ঘোষ প্রসঙ্গের দলীয় চিঠি সংবাদ মাধ্যমের হাতে এসে যাওয়ার প্রসঙ্গে দুঃখ প্রকাশ করে লকেট চ্যাটার্জি দাবী, দল দিলীপ দা কে, কি বলবে সেটা দলের আভ্যন্তরীণ বিষয়। এই আভ্যন্তরীণ বিষয় বাইরে কথা বলা আমাদের কারো অধিকার নেই। মিডিয়াতে এই চিঠি যে ধরনের এসেছে এটা খুব খারাপ। আমি এর জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। আমাদের দলের অনেকেই ঠিক ও করতে পারে, আবার ভুল ও করতে পারে, তার সংশোধন দলের অভ্যন্তরে হয়। কিন্তু এই জিনিসটা যারা করেছে তারা দলের নীতি বিচার অনুযায়ী করেনি। দিলীপ দা দক্ষ সংগঠক, আমিও ২০১৫ সাল থেকে দিলীপ দার সঙ্গে কাজ করেছি। দীলিপ দার সম্পর্কে বলার আমার কোন অধিকার নেই। দীলিপ দা অনেক বড় মানুষ এবং দক্ষ সংগঠক বলেই দাবী লকেট চ্যাটার্জির। অর্জুন সিং এর পর লকেট চট্টোপাধ্যায় কী দল বদলে জোড়া ফুল শিবিরে যোগ দেবেন। বেশ কিছুদিন ধরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে এমন জল্পনা ঘুরে বেড়াচ্ছে। এদিন সেই জল্পনা নিয়ে লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন,  “শেষ এক বছর ধরে এই জল্পনা চলছে। আমার ধারণা এটা তৃণমূলের একটা স্ট্র‍্যাটেজি। আমি দীর্ঘ আট বছর ধরে দলে আছি। ২০১৫ থেকে আমার সাথে বিভিন্ন জায়গায় দলের কর্মীদের আন্তরিক সম্পর্ক তৈরী হয়েছে। তারা চায় সেই সম্পর্ক ভেঙে যাক। আমার প্রতি অবিশ্বাস তৈরী হোক এটা তারা চায়। তৃণমূলের এজেন্ট হিসাবে বিজেপির দলে কিছু কিছু লোক রয়েছে তারাও এই ধরনের জল্পনা তৈরী করছে। তাদের খুঁজে বের করা হচ্ছ”।

LEAVE A REPLY