প্রেমিকের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার হল প্রেমিকার দাদুর বাড়ির সামনে থেকে

0
236

নিজস্ব প্রতিনিধি,বর্ধমানঃ প্রেমিকের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার হল প্রেমিকার দাদুর বাড়ির সামনে থেকে। মৃত  প্রেমিকের হাতে সিঁদুরের কৌটো,কানে হেডফোন। ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ালো পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষের নারিচা গ্ৰামে। মৃত যুবকের নাম কার্তিক দলুই( ২২)। যুবক বাঁকুড়ার পাত্রসায়ের গোঁসাইগ্ৰামের বাসিন্দা। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান হাসপাতালে পাঠিয়েছে খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ। পাশাপাশি পুলিশ মৃত্যুর কারণ কি তা খতিয়ে দেখছে। পরিবার সূত্রে জানা গেছে,পাত্রসায়ের গোঁসাইগ্ৰামের তরুণ কার্তিক দলুইয়ের সাথে খণ্ডঘোষের নারিচা গ্ৰামের কিশোরীর বিগত একবছরের বেশী সময় ধরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রেমিকার বাড়ি নারিচা গ্ৰামে। ওই গ্ৰামেই কার্তিক দলুইয়ের মামার বাড়ি। সেখানেই আসা যাওয়ায় প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে ছিলো। ফোনে দু’জনের যোগাযোগ ছিল বলে দাবী যুবকের পরিবারের। কয়েকদিন আগে দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি সংস্থায় কাজে যুক্ত হয়েছিল প্রেমিক কার্তিক দলুই। দুর্গাপুরের কাজের জায়গা থেকে বাড়ি ফিরে আসার জন্য বের হয়। কিন্তু বাড়ি ফেরেনি সে। পরিবারের লোকজন সহ প্রতিবেশীরা ফোন করে তার সাথে যোগাযোগ করতে চাইলেও কোনো যোগাযোগ হয়নি। এদিকে প্রেমিক কার্তিক দলুই পাত্রসায়ের না গিয়ে চলে আসে প্রেমিকার বাড়ি নারিচায়। প্রেমিকার বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে প্রেমিকার দাদুর বাড়ির সামনে একটি নারকেল গাছে নাইলন দড়িতে ফাঁস দেওয়া তার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। কানে মোবাইলের হেডফোন লাগানো ছিল। তাছাড়া ঝুলন্ত দেহের কাছে থেকে একটি সিঁদুর কৌটো ও জামাকাপড়ের ব্যাগ উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রেমিকাকে বিয়ে করার উদ্দেশ্য নিয়েই প্রেমিক কার্তিক দলুই এসেছিল বলে অনুমান। কোন কারণে তা কার্যকর না হওয়ার জন্য এই পরিণতি। শুক্রবার সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা গাছে ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান। খবর দেওয়া হয় খণ্ডঘোষ থানার পুলিশকে। দেহ খন্ডঘোষ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে জানান। ঘটনার পর থেকেই প্রেমিকা সহ পরিবারের লোকজন বেপাত্তা। আত্মহত্যা নাকি খুন তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরী হয়েছে। পুলিশ অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে।

LEAVE A REPLY