প্রত্যন্ত গ্রামের স্কুলে পরিদর্শনে গিয়ে মিড ডে মিলের অসংগতি নিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষকে শোকজ করল বিডিও

0
66

নিজস্ব প্রতিনিধি,বাঁকুড়াঃ আচমকা স্কুল পরিদর্শনে গিয়ে মিড ডে মিলের নানান গরমিল খুঁজে পেলেন বিডিও। বাঁকুড়ার জয়পুর ব্লকের আঙ্গারিয়া মাধ্যমিক শিক্ষা কেন্দ্রে মিড ডে মিল নিয়ে নানান বেনিয়ম খুজে পেলেন বিডিও। স্কুলকর্তৃপক্ষকে শোকজ করে চাওয়া হল মিড ডে মিলের তথ্য। বাঁকুড়ার জয়পুর ব্লকের একেবারে প্রত্যন্ত গ্রামে অবস্থান আঙ্গারিয়া মাধ্যমিক শিক্ষা কেন্দ্র। ২০০৫ সালে এই স্কুলের পথচলা শুরু হয়। বর্তমানে স্কুলে রয়েছে ১১২ জন পড়ুয়া। বর্তমানে স্কুলে রয়েছে ৪ জন শিক্ষক। একজন ভলেন্টার শিক্ষকও রয়েছেন। স্কুলের পরিকাঠামো থেকে মিড ডে মিল নিয়ে সরব স্থানীয় অভিভাবক থেকে স্কুলের পড়ুয়ারা। অভিযোগ স্কুলের মিড ডে মিলের খাবার পরিবেশন করা হয় তা অত্যন্ত নিম্নমানের। স্কুলের পড়ুয়াদের জন্য বরাদ্দ মিড ডে মিলের অর্থ সঠিক ভাবে ব্যয় করা হয় না বলেও অভিযোগ সামনে এসেছে স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার স্কুলে আচমকা পরিদর্শনে যান জয়পুরের বিডিও বিট্টু ভৌমিক। স্কুলের যাবতীয় বিষয় খতিয়ে দেখেন তিনি। সুত্রের খবর মিড ডে মিলের হিসেবে প্রতিদিন উপস্থিত পড়ুয়ার থেকে বেশী সংখ্যক ছাত্রছাত্রী উপস্থিতি দেখানো হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্কুলের মিড ডে মিল নিয়ে ব্যাপক বেনিয়ম হয়েছে তা অন্তত টের পেয়েছেন বিডিও। স্কুলের ভলেন্টিয়ার যে টিচার রয়েছে তাঁর বেতন কোন খাত থেকে দেওয়া হয় সেই উত্তর পাওয়া যায়নি স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে। স্কুলের একজন শিক্ষকের জায়গায় তার ভাইপো স্কুলে এসে ক্লাস নিচ্ছেন এমন অভিযোগও উঠেছে। স্কুল কর্তৃপক্ষকে মিড ডে মিল সংক্রান্ত শোকজ করেছে জয়পুর ব্লক প্রশাসন। ৪ দিনের মধ্যে চাওয়া হয়েছে জবাব। যদিও স্কুল কর্তৃপক্ষ স্কুলের শিক্ষকের অভাব রয়েছে তা শিকার করেছেন। স্কুলের মিড ডে মিল নিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কোন উত্তর মেলেনি। এক শিক্ষকের বদলে শিক্ষক এর ভাইপোর ক্লাস নেওয়া প্রসঙ্গে যে অভিযোগ উঠেছে সেই প্রসঙ্গে স্কুলের প্রধান শিক্ষকের সাফাই, ওই টিচারের পরিবর্তে প্রতিদিন ভাইপো ক্লাস করছে এমন নয়। অসুস্থ থাকার কারনে শিক্ষকের ভাইপো শিক্ষককে নিয়ে আসা যাওয়া করেন। কখন কখন হয়তো স্কুলের স্বার্থে ক্লাস করতেও পারেন বলেই সাফাই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের।

LEAVE A REPLY