অগ্নিপথ নিয়ে যারা ভাংচুর করছে তারা কেউই আগামীদিনে চাকরী প্রার্থী হবেন নাঃসুভাষ সরকার

0
118

নিজস্ব প্রতিনিধি,বাঁকুড়াঃ অগ্নিপথ নিয়ে যারা ভাংচুর করছে তারা কেউ আগামীদিনে চাকরী প্রার্থীই হবেন না। শুধুমাত্র প্ররোচিত হয়ে তারা ভাংচুর করছে। অগ্নিপথ নিয়ে দেশ জুড়ে বিক্ষোভ ও আন্দোলন নিয়ে এই ভাষাতেই প্রতিক্রিয়া দিলেন কেন্দ্রের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকার। এদিন তিনি বলেন, যুবকদের ভূল বোঝানো হচ্ছে। কারন সেনাবাহিনীতে নিয়োগের স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করে নয় তাকে অব্যাহত রেখেই এই অগ্নিপথ করা হচ্ছে। অগ্নিপথের বিষয়টিকে বেতন সহযোগে শিক্ষা হিসাবে দেখা উচিৎ। ১৯৮৯ সাল থেকে এই বিষয়ে চর্চা চলছিল। আর তাছাড়া সেনাবাহিনীতে পাঁচ বছরের শর্ট কমিশন তো ছিলই। এই অগ্নিপথ অসাধারণ একটি প্রক্রিয়া। আগামী দু এক দিনের মধ্যেই মানুষ তা বুঝতে পারবেন বলে আমার বিশ্বাস। কেন্দ্রীয় সরকার আয়োজিত জাতীয় যোগা অলিম্পিয়াডে সারা দেশের পড়ুয়ারা অংশগ্রহণ করলেও এ রাজ্যের পড়ুয়ারা সে সুযোগ পেল না। আর এজন্য এ রাজ্যের সরকারকেই দুষলেন কেন্দ্রের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকার।  এবিষয়ে কেন্দ্রের তরফে একাধিকবার চিঠি দিয়ে রাজ্য সরকারের শিক্ষা দফতরকে জানানো হলেও রাজ্যের শিক্ষা দফতর সে ব্যাপারে কোনো আগ্রহ দেখায়নি বলে এদিন অভিযোগ করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। কেন্দ্রের শিক্ষা দফতরের উদ্যোগে চলতি বছর দিল্লীতে বসেছে জাতীয় যোগা অলিম্পিয়াডের আসর। জুন মাসের ১৮,  ১৯ ও ২০ তারিখ এই তিনদিন ধরে চলছে জাতীয় যোগা অলিম্পিয়াড প্রতিযোগিতা। আজ সেই প্রতিযোগিতার শেষ দিন। নিয়ম অনুযায়ী ষষ্ঠ, সপ্তম,  অষ্টম মিলিয়ে একটি এবং নবম ও দশম শ্রেনী মিলিয়ে দুটি পৃথক গ্রুপে পুরুষ ও মহিলা বিভাগে স্কুল,  ব্লক,  জেলা ও রাজ্য স্তরে এই প্রতিযোগিতা করার কথা সংশ্লিষ্ট রাজ্যের স্কুল শিক্ষা দফতরের। এবার প্রতিটি রাজ্যের চারটি বিভাগের প্রতিটি থেকে চারজন করে মোট ১৬ জন পড়ুয়ার যোগ দেওয়ার কথা জাতীয় যোগা অলিম্পিয়াডে। দেশের প্রায় প্রতিটি রাজ্য এই অলিম্পিয়াডে যোগ দিলেও এ রাজ্য সেই অলিম্পিয়াডে যোগ দেয়নি।  কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দাবী গত ৩১ মার্চ ও ১ এপ্রিল এ বিষয়ে এ রাজ্যের শিক্ষা দফতরের দুই আধিকারিককে বিষয়টি কেন্দ্রের তরফে লিখিত ভাবে জানানো হলেও তাঁরা আগ্রহ দেখাননি। কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর অভিযোগ  এ রাজ্যে শিক্ষায় একটার পর একটা এমন কাজ করা হচ্ছে যাতে এ রাজ্যের পড়ুয়ারা রাষ্ট্রীয় স্তর থেকে পিছিয়ে পড়ে।

LEAVE A REPLY