হাইকোর্টের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ঝালদায় নিহত তপন কান্দুর স্ত্রীর

0
179

সাথী প্রামানিক, পুরুলিয়া, ৬ জুন: সিবিআই তদন্তের নির্দেশ বহাল রাখায় কলকাতা উচ্চ আদালতের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করল নিহত তপন কান্দুর স্ত্রী পূর্ণিমা কান্দু। ঝালদার কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দুর খুনের ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ সোমবার বহাল রাখে  কলকাতা উচ্চ আদালত। এখনও পর্যন্ত এই খুনের ঘটনার ৬০ দিন পেরিয়ে গেলেও চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা পড়েনি আদালতে। এই পর্যন্ত খুনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরও দুই ভাড়াটে খুনিকে গ্রেফতার করতে পারেনি সিবিআই। তবুও সিবিআই তদন্তের উপর পূর্ণ ভরসা ও আস্থা রয়েছে বলে দাবি নিহত তপন কান্দুর স্ত্রী পূর্ণিমা কান্দুর। তিনি আজ বলেন, “আমার স্বামী খুনের সিবিআই তদন্তের নির্দেশ বহাল রাখায় হাই কোর্টের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।  সিবিআই তদন্তের আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। সঠিক তদন্ত চলছে। দোষীরা গ্রেফতার হবে এবং চরম সাজা পাবে।” প্রসঙ্গত, গত ১৩ মার্চ দুষ্কৃতীদের গুলিতে খুন হন ঝালদার কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দু। ঘটনার তদন্তে নামে জেলা পুলিশের সিট। তারা গ্রেফতার করে খুনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত চার অভিযুক্তকে। কিন্তু এই খুনের ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবিতে সোচ্চার হয় নিহতের পরিবার। গত ৪ এপ্রিল কলকাতা উচ্চ আদালত এই খুনের ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দেয়। ৬ এপ্রিল তপন কান্দু খুনের ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী নিরঞ্জন বৈষ্ণবের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। সেদিনই ৬ এপ্রিল সিটের কাছ থেকে তদন্তভার নেয় সিবিআই। এরপরই সিটের হাতে গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্তদের জেরা করেন সিবিআই তদন্তকারী আধিকারিকরা। এছাড়া এই ঘটনায় নিহতের পরিবারের পাশাপাশি অন্যান্য ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই। ১২ এপ্রিলই কংগ্রেস কাউন্সিলর খুনের ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী নিরঞ্জন বৈষ্ণবের মৃত্যুতে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয় কলকাতা উচ্চ আদালত। এখনও পর্যন্ত কংগ্রেস কাউন্সিলার খুনের ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছে ৫ জন অভিযুক্ত। বর্তমানে জেল হেফাজতে রয়েছেন দীপক কান্দু ও তাঁর বাবা নরেন কান্দু। এছাড়া আশিক খান, কলেবর সিং ও সত্যবান পরামানিক। ঝালদা পুরসভার কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দু হত্যা মামলায় রাজ্যের আবেদন খারিজ করে দেয় হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। সোমবার হাইকোর্ট তপন কান্দু হত্যা মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশই বহাল রাখে। গত মাসে তপন কান্দু হত্যা মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল হাই কোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চ। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায় রাজ্য।

LEAVE A REPLY