শুধু সরকারি মুখাপেক্ষী নয়,এবার ব্লক স্তর থেকে জনমুখী কাজ করার দাওয়াই ব্লক সভাপতির

0
63

পারমিতা মণ্ডল,রামপুরহাট, ২৫ এপ্রিলঃ মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে এবার রামপুরহাট ১ নম্বর ব্লকের প্রতিটি অঞ্চলে ঝাঁসি বাহিনী গড়তে চলেছে তৃণমূল। মূলত, অবৈধ মদ, গ্যাঁজা, চরসের মতো মদকদ্রব রুখতেই এই বাহিনীকে কাজে লাগানো হবে বলে দলীয় সূত্রের খবর। এছাড়াও এক গুচ্ছ জনমুখী প্রকল্প গৃহীত হয়েছে ব্লক কমিটির সভা থেকে।   প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২৪ মার্চ মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে বগটুই কাণ্ডে গ্রেফতার হন তৃণমূলের রামপুরহাট ১ নম্বর ব্লক সভাপতি আনারুল হোসেন। ওইদিনই জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সহ সভাপতি সৈয়দ সিরাজ জিম্মিকে ব্লকের সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়। দায়িত্ব পেয়ে এই প্রথম অঞ্চল সভাপতি, প্রধান ও উপ প্রধানদের নিয়ে বৈঠক করলেন জিম্মি। সভায় খরুন এবং নারায়ণপুর অঞ্চল সভাপতি ছাড়া সবাই উপস্থিত ছিলেন। ছিলেন রামপুরহাট বিধায়ক, বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, দলের জেলা সাধারণ সম্পাদক ত্রিদিব ভট্টাচার্য। সভায় সিদ্ধান্ত হয় প্রতিটি গ্রামে ঝাঁসি বাহিনী গড়া হবে নেশা মুক্ত করতে। এছাড়া বছরে অঞ্চলে একটি করে রক্তদান শিবির করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে রক্তদাতাদের রক্তের গ্রুপ ও ফোন নম্বর নিয়ে একটি তালিকা তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গ্রামবাসীদের প্রয়োজনে তারা সরাসরি রক্তদান করবেন। সভায় গ্রামের মানুষদের শহরে ডাক্তার দেখানোর জন্য একটি টিম গঠন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট নম্বরে ফোন করলে দলের কর্মীরা ডাক্তারের কাছে নাম লিখিয়ে কখন শহরে আসতে হবে সেটা জানিয়ে দেওয়া হবে। জিম্মি বলেন, “এটা করতে পারলে গ্রামের মানুষদের ভোর বেলা উঠে রামপুরহাট শহরে সারাদিন ডাক্তার দেখানোর জন্য পরে থাকতে হবে না”। এই তীব্র দাবাদহে গ্রামবাংলায় অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে বেশি। সেক্ষেত্রে অঞ্চলে একটি ছোট গাড়ির মধ্যে হোন্ডা পাম্পসেট রেখে জল দিয়ে প্রাথমিক ভাবে আগুন নেভানোর ব্যবস্থা করা যায় কিনা সে নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। সভাপতিরা বিষয়টি নিয়ে সম্মতি জানিয়েছেন বলে জিম্মির দাবি। সব শেষে বছরে প্রতিটি গ্রামের ক্লাব গুলিকে দুটি করে ফুটবল দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই সঙ্গে ফুটবল টুর্নামেন্ট করার উপর সভায় জোর দেওয়া হয়েছে। জিম্মি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী অনেক উন্নয়ন করছেন। স্থানীয় স্তরে আমরাও যদি ছোট ছোট বিষয় নিয়ে মানুষের পাশে থেকে সাহায্য করতে পারলে মানুষের উপকার হবে। সেই চিন্তাভাবনা নিয়েই কিছু সিদ্ধান্ত প্রস্তাব আকারে সভায় রাখা হয়েছিল। উপস্থিত সকলে সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন”।   

LEAVE A REPLY